MA Baby

মেরুকরণের মধ্যেও পশ্চিমবঙ্গে ছাপ ফেলেছে বামপন্থীরা : বেবি

জাতীয় রাজ্য

‘পশ্চিমবঙ্গে তীব্র মেরুকরণের রাজনীতির মধ্যেও একাধিক আসনে নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন বামপন্থীরা।’ দিল্লিতে একে. গোপালন ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে বললেন সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক এম.এ. বেবি।
তিনি বলেন, কেরালায় বিজেপির হার, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়, তেলেঙ্গানায় টিভিকে মূল শক্তি হিসাবে উঠে আসা। স্টালিনের পরাজয় টিভিকের কাছে উদ্বেগের। আসামে বিজেপি ক্ষমতা ধরে রেখেছে।
বেবি বলেন, ‘কেরালায় দশ বছরের পর বামপন্থীরা হেরেছে। তারা মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ চালিয়ে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও। বাংলায় তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ ছিল। তাছাড়া সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ, দুই দলের বিপুল টাকা খরচ এবং এসআইআর। এই মেরুকরণের মধ্যে বামপন্থীরা রাজ্যে তাদের ভোট ধরে রেখেছে। বাংলার বিধানসভায় বামপন্থী প্রতিনিধি থাকছে। মাঝের কিছু সময়ের পর। পশ্চিমবঙ্গে তীব্র মেরুকরণের রাজনীতির মধ্যেও ৩৫টি আসনে বামপন্থীদের ভোট বেড়েছে। আমরা আরও ভালো ফলাফল আশা করেছিলাম।’
উদ্বেগ প্রকাশ করে সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আসাম, পশ্চিমবঙ্গ এবং পদুচেরির ফলাফল উগ্র-দক্ষিণপন্থী শক্তির উত্থানের বার্তা দিচ্ছে, যা দেশের জন্য বিপদ বলে মনে করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘যেই সব মানুষ বামপন্থীদের ওপর ভরসা রেখেছে তাদের আমরা সম্মান করছি। মানুষের রায়কে আমরা মাথা পেতে নিচ্ছি। আমরা মানুষের দাবি নিয়ে আমাদের লড়াই চালিয়ে যাবো। দেশের গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রকে ধরে রাখতে আমাদের লড়াই চলবে।’ 
বেবি জানিয়েছেন, রাজ্য গুলোর ফলাফল নিয়ে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং পলিট ব্যুরোয় আলোচনা হবে। বিশেষ করে কেরালার ফলাফল নিয়ে আলোচনা হবে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে বেবি বলেন, বাংলায় আমাদের বাংলা বাঁচাও কর্মসূচি এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে মানুষের ভালো সমর্থন পাওয়া গিয়েছে। কেরালায় প্রতি পাঁচ বছর পর পর সরকার বদলায়। কিন্তু দশ বছরে কেরালায় বামপন্থী সরকার উন্নতির জন্য কাজ করেছে। কেরালা আজ দারিদ্র্য মুক্ত। 
তিনি বলেন, ‘জাতীয় রাজনীতিতে বামপন্থীদের শক্তি বৃদ্ধি প্রয়োজন। দেশের গরীব, প্রান্তিক অংশের মানুষের হয়ে বামপন্থীরা একমাত্র লড়াই করে।’

Comments :0

Login to leave a comment