বাম, অতিবাম সহ বিজেপি বিরোধী সব দল গুলোকে এক হয়ে লড়াইয়ের কথা মমতার মুখে। এদিন তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, “বাম, অতিবাম, যে কোনও জাতীয় দল, যে যেখানে আছেন, আসুন আমরা জোট বাধি। কেউ চাইলে আমার সঙ্গে কথা বলতে পারেন। ৪টে থেকে ৬টা পর্যন্ত আমি অফিসেই থাকব। আমাদের প্রথম শত্রু বিজেপি।”
লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া মঞ্চ যখন তৈরি করা হয় তখন সেখানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যা তৈরি করেছিল তৃণমূল। লোকসভায় একাধিক বিল পাশের সময় বিজেপিকে সুবিধা করে দিয়েছে তৃণমূল। ওয়াক আউট করে তারা বিজেপিকে সুবিধা করে দিয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ইন্ডিয়ার অবস্থান থেকে আলাদা থেকেছে তৃণমূল।
উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে মাটি করে দিয়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের সমর্থনে এরাজ্য থেকে দুজন বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছিলেন লোকসভায়। বিজেপি মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
এবারের নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা ব্যানার্জি স্পষ্ট বলেন, ‘আমাদের লড়াই বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। লড়াই ছিল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।’ এই কথা থেকেই মমতা ব্যানার্জি স্পষ্ট করে দেন যে বিজেপির বিরুদ্ধে তার কোনও লড়াই নেই।
২০১১ সালের নির্বাচনের সময় বামপন্থীদের হারাতে বিজেপির সঙ্গে জোট করেছিল মমতা। সিঙ্গুরে টাটা বিরোধী আন্দোলনে মমতার ধর্ণা মঞ্চে ছিলেন রাজনাথ সিং।
শনিবারও মিথ্যা কথা শোনা গিয়েছে তৃণমূল নেত্রীর মুখে। তিনি বলেন, ২০১১ সালে তৃণমূল জয়ী হওয়ার পর বামপন্থীদের ওপর কোনও আক্রমণ করা হয়নি। উল্লেখ্য সেই সময় নির্বাচনী পরবর্তী হিংসায় বামপন্থীদের পার্টি অফিস দখল, আগুন লাগিয়ে দেওয়া, মিথ্যা মামলায় কর্মীদের গ্রেপ্তার করা, অত্যাচার করার মতো ঘটনা ভোলেনি রাজ্যের মানুষ। যিনি বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন শনিবার সেই শুভেন্দু অধিকারি ও ছিলেন সেই সময় মমতার এই সব কাজে সঙ্গী। তার নেতৃত্বে মেদিনীপুরে, জঙ্গলমহলে বামপন্থীদের ওপর আক্রমণ নামিয়ে আনে মাওবাদীরা।
Mamata Banarjee
বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে বামপন্থীদের ওপর আক্রমণ নামিয়ে এনে এখন কাছে আসার আহ্বান মমতার
×
Comments :0