পৌরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি দপ্তরে হাজিরা দিলেন তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। এদিন আইনজীবীকে সাথে নিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন তিনি। সুজিত বসু হাজিরা দিলেও প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষ হাজিরা দেননি। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তিনি এড়িয়ে গিয়েছেন।
দক্ষিণ দমদম পৌরসভার দায়িত্বে থাকার সময় মোটা টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগের ভিত্তিতেই ২০২৫ সালের অক্টোবরে ইডি কলকাতার ছ’টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালায়, যার মধ্যে ছিল সুজিত বসুর বাড়ি ও অফিস। সেই তল্লাশিতে নগদ ৪৫ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত হয়। পৌরসভা নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্তের চলতি মাসের প্রথম দিকে রাজ্যের সুজিত বসুকে প্রায় নয় ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সুজিত বসু এদিন সকাল সাড়ে দশটার কিছু আগে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছান। সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে সমুদ্র এবং দুজন আইনজীবী।
সুজিত বসুকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড় দিনকে দিন চড়ছেই। অভিযোগের মূল কেন্দ্র দক্ষিণ দমদম পৌরসভা। সেখানে দায়িত্বে থাকার সময় মোটা টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগের ভিত্তিতেই শুরু হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির তল্লাশি। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ইডি কলকাতার ছ’টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালায়, যার মধ্যে ছিল সুজিত বসুর বাড়ি ও অফিস। সেই তল্লাশিতে নগদ ৪৫ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত হয়। বিপুল নগদের উৎসের সন্ধান ইডি’র নজরে সুজিত বসু।
Comments :0