West Bengal Elections

সরকারি নথি সরানো যাবে না, নোটিস জারি

রাজ্য

বেআইনি কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্তে ‘আইপ্যাক’ দপ্তরে ইডি’র অভিযানের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী  পৌঁছে যান। সাংবিধানিক পদের অপব্যবহার করে দপ্তর থেকে বেশ কিছু ফাইল এবং ল্যাপটপ নিয়ে বেরিয়ে আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। হারতে চলেছে তৃণমূল। রাজ্যে ৬ মে বুধবার শেষ হচ্ছে মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট। তার পর গঠন হবে নতুন সরকার। সোমবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা এবং ভোট গণনার মধ্যেই সোমবার মুখ্য সচিব দুষ্যন্ত নারিয়ালা একটি নির্দেশ জারি করেন। সেখানে বলা হয় সরকারি অফিস থেকে কোনও নথি বা গুরুত্বপূর্ণ কাগজ সরানো বা নষ্ট করা যাবে না। সমস্ত সরকারি বিভাগকে ফাইল ও নথিপত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আধিকারিকদের স্পষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে কোনও অবস্থাতেই যেন অফিস থেকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র বা ফাইল সরানো না হয়।   এছাড়াও অনুমতি ছাড়া সরকারি নথিপত্রের ফটোকপি বা স্ক্যান করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মুখ্য সচিব জানিয়েছেন, প্রতিটি ফাইল এবং চিঠিপত্রের যথাযথ হিসাব রাখা বাধ্যতামূলক হবে। প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে বিভাগীয় প্রধান এবং সচিবরা এই নিয়মগুলি মেনে চলা নিশ্চিত করার জন্য সরাসরি দায়ী থাকবেন। ভবিষ্যতে ফাইল হারিয়ে যাওয়া বা এই নিয়ম লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটলে, সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন আধিকারিককে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করা হবে।
নির্বাচন কমিশন নবান্ন সহ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের কঠোর নির্দেশ দিয়েছে। সরকারি নথি জ্বালিয়ে দেওয়া বা চুরি থেকে রক্ষা করার জন্য সিআরপিএফ-এর কুইক রেসপন্স টিম নবান্ন, রাইটার্স বিল্ডিং, বিকাশ ভবন এবং খাদ্য ভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলিতে পৌঁছে গেছে। দুর্নীতি সংক্রান্ত ফাইল হারিয়ে বা চুরি হয়ে যেতে পারে বলে বিজেপির উদ্বেগ প্রকাশের পরেই এই পদক্ষেপ। 
এই মূহুর্তে নবান্নের নিরাপত্তা এতটাই কড়াকড়ি যে কোনো ফাইল অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে কি না তা নিশ্চিত করতে কর্মদের ব্যাগও তল্লাশি করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহ নির্বাচনী প্রচারে বারবার বলেছেন বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার সাথে সাথেই পূর্ববর্তী সরকারের সমস্ত ফাইল খোলা হবে এবং তদন্ত করা হবে। বর্তমানে ২০৬ আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। তৃণমূল এগিয়ে ৮১টি আসনে।

Comments :0

Login to leave a comment