গলসী ও খন্ডঘোষ বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট ও আইএসএফ সমর্থিত সিপিআই(এম) প্রার্থী রামজীবন রায় ও মণিমালা দাসকে বিপুল ভোটে জয়ী করার বার্তা দিয়ে এক কর্মী সভা হয় সোমবার।
বক্তব্য রাখেন পার্টির জেলা কমিটির সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দ হোসেন। এছাড়াও বলেছেন প্রার্থী মণিমালা দাস, সিপিআই নেতা রামকৃষ্ণ ঠাকুর, সিপিআই(এম এল) নেতা মোজাম্মেল শাহ। সভাপতিত্ব করেন সিপিআই(এম) নেতা কাজি জাফর আলি।
এদিন সভায় সৈয়দ হোসেন বলেন, তৃণমূল আর বিজেপি মধ্যে কোন ফারাক নেই। দু‘টো দলকেই নাগপুর থেকে চালায় আরএসএস। কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল তৈরি হয়েছিল আরএসএস’র মদতেই। দুই দলের ‘সেটিং‘ এখন আর আমাদের বলতে হচ্ছে না। বিজেপি’র সাংসদ অভিজিৎ ব্যানার্জি সত্যি কথাটা বলে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন বিজেপিতে ঢুকে ছিলাম তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করবো বলে। এখন দেখছি মমতার প্রধান শক্তি বিজেপি। কীর্তি আজাদ, শত্রুঘ্ন সিনহা, মেনকা গুরুস্বামী- এঁরা সবাই গেরুয়া শিবিরের লোক।
হোসেন এদিন বলেছেন, দু’টি দলেরই প্রধান লক্ষ্য কর্পোরেট শক্তির মুনাফা বাড়ানো। লুট, শোষণ, মানুষের মেহনত যাতে কম মূল্যে কিনতে পারে মালিকপক্ষ, তার জন্য সচেষ্ট বিজেপি-তৃণমূল। এরা আদানি-আম্বানির হয়ে কাজ করে।
তিনি বলেন, জনগণের সম্পদকে বিজেপি সরকার ব্যাক্তিগত সম্পদে পরিণত করছে। ব্যাঙ্ক, বিমা, খনি, বিমান বন্দর, রাষ্ট্রায়ত্ব শিল্প জলের দরে বেচে দিচ্ছে কর্পোরেটের কাছে। এরা সাধারণ গরিব মানুষের দল ও সরকার নয়। পুঁজির দাস হিসাবে কাজ করে। তাই এই দুই শক্তিকেই আমাদের মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে।
হোসেন এদিন ভোটে সাম্প্রদায়িক তাস নিয়ে যেভাবে আরএসএস মানুষকে বিভক্ত করতে চাইছে সেই বিভাজনের রাজনীতিকেও মোকাবিলার করার লক্ষ্যে মানুষের কাছে বারে বারে যেতে বলেছেন।
Comments :0