পুরুলিয়া মফস্বল থানার ঘোংঘা অঞ্চলের টাটাড়ি গ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল স্কুল পড়ুয়া সহ পাঁচ গ্রামবাসী। আপাতত তারা সুস্থ বলে জানিয়েছে ডেঙ্গু আক্রান্তদের পরিবারের সদস্যরা।
গ্রামবাসীরা জানান, বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। গ্রামের অনেকে এখনো জ্বরে আক্রান্ত। গ্রাম জুড়ে যত্রতত্র আবর্জনায় পরিপূর্ণ। রাস্তার ধারে খাল ডোবায় বর্ষার জল জমে রয়েছে। মশার উপদ্রব বেড়েছে গ্রামে। আর এতেই ডেঙ্গু সহ মশক বাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন গ্রামবাসীরা— এমনটাই অভিযোগ গ্রামবাসীদের।
ডেঙ্গু আক্রান্ত এক কিশোরের মা নাজিমা বিবির অভিযোগ, ডেঙ্গু সংক্রমণের পর পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলে সেখানে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে বেসরকারি চিকিৎসক দেখিয়ে ছেলের চিকিৎসা করানো হয়। পরে সে সুস্থ হয়ে ওঠে। ডেঙ্গু আক্রান্ত আরেক কিশোরের দাদু শেখ রফিক এবং গ্রামবাসীদের অভিযোগ, স্থানীয় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বা পতঙ্গ বাহিত রোগ প্রতিরোধে সমীক্ষার কাজে যুক্ত ভিআরপি বা গ্রামীণ সম্পদ কর্মীরা আগে থেকে কোনও স্প্রে করা বা মশা দমনে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। যার কারণে গ্রামে মশার উপদ্রব বেড়েছে। বিকালের পর থেকেই মশার উপদ্রব ভয়ঙ্কর বেড়ে যায়। গ্রামবাসীরা ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার পর গ্রামের ভিআরপি বা গ্রামীণ সম্পদ কর্মীদের কাছ থেকে খবর পায় স্বাস্থ্য দপ্তর। তারপরই ভিআরপি কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গ্রামে গিয়ে মশা দমনে স্প্রে করা হয়। এখনও জ্বরে আক্রান্ত রয়েছেন বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী। গ্রামে রয়েছে চরম আতঙ্ক। তবে গ্রামবাসীদের প্রত্যেকের কণ্ঠে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, ব্লক, স্বাস্থ্য দপ্তরের উপর রয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরও ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না বলে তাঁদের অভিযোগ।
Dengue in Purulia
ডেঙ্গুর থাবা পুরুলিয়ায়, গ্রামে চরম আতঙ্ক
×
Comments :0