Jalpaiguri Annapurna

জলপাইগুড়ি: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের দাবিতে এসডিও দপ্তরে মহিলা সমিতি

জেলা

যলপাইগুড়ি সদর ব্লকে সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির ডেপুটেশন।

ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি, আর ভোট মিটতেই একের পর এক শর্ত কেন? অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে এই প্রশ্নে সরব হলো সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতি। বুধবার সংগঠনের জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির উদ্যোগে বিভিন্ন দাবিতে সদর এসডিও-র দপ্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
স্মারকলিপিতে ‌দাবি, আয়কর প্রদান করেন না এমন সব মহিলাকে বিনা শর্তে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের অর্থ দিতে হবে। পাশাপাশি এসআইআর-এ বাদ পড়া প্রকৃত ভোটারদের নাম দ্রুত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও জানানো হয়। মিড-ডে মিল ব্যবস্থাকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় রাখার পাশাপাশি শক্তিশালী রেশন ব্যবস্থা, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া এবং চড়া সুদ মকুবের দাবিও উঠে আসে।
সংগঠনের জেলা সম্পাদক রীনা সরকার বলেন, ‘‘ভোটের আগে কোনও শর্ত ছাড়াই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু ভোট শেষ হতেই মহিলাদের উপর একের পর এক শর্ত চাপানো হচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত যাঁদের এই সহায়তা প্রয়োজন, তাঁদের বহুজনই বঞ্চিত হচ্ছেন।’’ 
তিনি আরও বলেন, ‘‘এসআইআর-র কারণে প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। যাঁরা প্রকৃত ভোটার, তাঁদের নাম দ্রুত ভোটার তালিকায় তুলতে হবে।’’
বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অগ্নিমূল্য নিয়ে তিনি‌ বলেন, ‘‘জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।’’
এদিনের কর্মসূচিতে ছিলেন রীনা সরকার, মিতালী সরকার, রীতা সেনগুপ্ত, পর্ণা চক্রবর্তী, গৌরী অধিকারী, শীলা পাল, সুস্মিতা গুহ সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মহিলাদের অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষার দাবিতে আগামী দিনেও ধারাবাহিক আন্দোলন চলবে।

Comments :0

Login to leave a comment