ট্রাক্টর-ট্রলি কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হলো রাজস্থানের বিজেপি সরকার। মেনে নিয়ে একগুচ্ছ দাবি। সিপিআই(এম) পলিট ব্যুরো সদস্য এবং সাংসদ কৃষকনেতা অমরা রাম এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
অমরা রাম জানিয়েছেন যে অকারণে ট্রাক্টর-ট্রলির সঙ্গে যুক্ত কৃষিজীবীদের হেনস্তা করা চলছিল। জিপিএস চিপ বসিয়ে নজরদারির নামে নানা বিধি নিষেধ আরোপ করা চলছিল। ওভারলোডিংয়ের নামে বসানো হচ্ছিল মাসুল।
রাজস্থানের সিকর কেন্দ্রের সাংসদ এবং সারা ভারত কৃষক সভার সহসভাপতি অমরা রাম। কিন্তু কেবল সিকর নয়, রাজস্থানের জয়পুর সংগ্ন প্রায় নয়টি জেলার কৃষকরা শামিল হয়েছেন এই আন্দোলনে। গত সপ্তাহেই বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাক্টর ট্রলি নিয়ে কষৃকরা মিছিল করে রওনা দেন রাজধানী জয়পুর অভিমুখে। রাজ্য সরকার টের পায় যে আন্দোলন জলদি দমিয়ে দেওয়ার উপায় নেই।
রাজস্থানে প্রতিকূল ভূ-প্রকৃতিতে মাঠের ফসল বাজারে নিয়ে যাওয়ার প্রধান ভরসা ট্রাক্টর ট্রলি। এই পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত বহু কৃষিজীবী। তাঁদের অনেকে নিজেরাও কৃষক। এই ট্রাক্টর ট্রলির থেকে কর তোলার মতলবে নেমেছিল রাজস্থানের বিজেপি সরকার। কাটা চলছিল চালান। চাষের খরচ এমনিতেই লাফিয়ে বেড়েছে। বেড়েছে জ্বালানির দাম। সেই অবস্থায় চালানের চাপে নাজেহাল কৃষিজীবীরা।
কৃষকদের ট্রাক্টর ট্রলি নিয়ে একের পর এক জেলা থেকে মিছিল আসতে থাকায় জয়পুরে রাজ্য পরিবহণ দপ্তর থেকে আলোচনার বার্তা আসে। অমরা রামের নেতৃত্বে পরিবহণ দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে কৃষক প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। অমরা রাম জানিয়েছেন যে বেশিরভাগ দাবি মেনে নেওয়ায় আন্দোলন তুলে নেওয়া হয়েছে।
Amra Ram Tractor Trolley
রাজস্থানে ট্রাক্টর-ট্রলি কৃষকদের জয়, নেতৃত্বে অমরা রাম
সিকর থেকে জয়পুর অভিমুখে ট্রাক্টর ট্রলি কৃষকদের মিছিল।
×
Comments :0